মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাযার্লয়ের পরিচিতি:

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাযার্লয়ের পরিচিতি:

মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার অন্যতম খাদ্য। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানের ১৫(ক) আর্টিকেলে জনগণের খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয় এ দায়িত্ব পালন করে থাকে। ১৯৭২ সালে খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রণালয় নামে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীভূক্ত হলো খাদ্য অধিদপ্তর। খাদ্য অধিদপ্তরাধীন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মেহেরপুর একটি সরকারী সংস্থাপন। দেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের প্রেক্ষিতে ১৯৮৪ সালে খাদ্য বিভাগ পূনর্গঠন ও পূনর্বিন্যস্ত করা হলে খাদ্য বিভাগের প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। মহকুমা থেকে উন্নীত হয়ে জেলা কার্যালয়ে রূপ নেয়। মহকুমা থেকে উন্নীত জেলাগুলোসহ সমস্ত জেলাগুলো খাদ্য বিভাগীয় কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী তিন শ্রেণীতে ভাগ করে তদানুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী পদায়ন করা হয়। নবসৃষ্ট উপজেলাতে ২য় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (বর্তমানে ১ম শ্রেণীতে উন্নীত) পোষ্টিং দিয়ে পূর্বের মহকুমা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের প্রায় সকল ক্ষমতা অর্পণ করা হয়। খাদ্য গুদাম গুলোকে ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ৩ ভাগে বিন্যস্ত করে তদনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী পোষ্টিং দেয়া হয। খাদ্য বিভাগের প্রধান দপ্তরকে খাদ্য পরিদপ্তরের স্থলে খাদ্য অধিদপ্তর নামকরণ করে পূর্বের ৫টির স্থলে ৭টি অধিদপ্তরে পুর্নগঠিত করা হয়।

 

খাদ্য বিভাগ পুর্নগঠন হওযায় পরবর্তীতে জাতিসংঘের Food And Agriculture Organisation (FAO) এর সহযোগিতায় ব্যাপক সমীক্ষার পর খাদ্য বিভাগের হিসাব ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন আনা হয়। নূতন ছকে হিসাব সংরক্ষণ হতে থাকে। এ ব্যবস্থা চালুর ফলে এখন সহজেই মাসিক লেনদেনের পূর্নাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়। কোন স্থানে হিসাবের গড়মিল বা আত্মসাতের ঘটনা ঘটলে দ্রুত তা সনাক্ত ও ব্যবস্থা নেয়া যায়।  

 

খাদ্য ভিত্তিক বিভিন্ন সরকারী কার্যক্রম পরিচালনা ও আপদকালীন জরুরী প্রয়োজন মেটানোর জন্য সব সময় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টন খাদ্য শস্য সরকারী গুদামে মজুদ রাখার জন্য জাতীয় খাদ্যনীতিতে সিদ্ধান্ত রাখা হয়েছে। ১৯৮৮ সালের জাতীয় খাদ্যনীতির অপূর্ণতা দূর করে ‌‌‌‌'জাতীয় খাদ্যনীতি-২০০৬' জারী করা হয়েছে। দি বেঙ্গল রাইস মিল কন্ট্রোল অর্ডার ১৯৪৩ বাতিল করে বাংলাদেশ রাইস মিল অর্ডার-২০০৮ বাস্তবায়িত করে চাউল কল মালিকদের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

 

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জেলায় খাদ্য প্রশাসনের মূখ্য কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। জনবলের দিক দিয়ে খাদ্য বিভাগের অবয়ব ছোট হলেও এ বিভাগের কর্মকান্ড ষ্পর্শকাতর ও অত্যান্ত দায়িত্বপূর্ণ।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter